Care, Curisity, Courage and Control for student life
শযে ছেলেটা নামী ভার্সিটিতে চান্স না পেয়ে, নীরবে প্রাইভেটে বা ঢাকার বাইরে চলে গেছিলো, সেই ছেলেটাই, নামী ভার্সিটির পোলাপানের চাইতে দুই বছর আগে পাশ করে, তাদের ম্যানেজার হয়ে বসে আছে। যে মেয়েটা ভালো সাবজেক্টে চান্স পায়নি বলে তার কলেজের ফ্রেন্ডরা তার সাথে মিশতো না, সেই মেয়েটাই তার বান্ধবীদের চাইতে দ্বিগুণ জিপিএ নিয়ে, ফার্স্ট ক্লাস ফার্স্ট হিসেবে ফ্যাকাল্টি হয়ে গেছে। যে ছেলেটা ভালো স্টুডেন্ট না বলে, জোর করে আর্টস গ্রুপে পাঠিয়ে দেয়া হয়েছিলো, সেই ছেলেটাই সায়েন্সের মেধাবীদের আগে বিসিএস ক্যাডার হয়ে গেছে।
যে বয়সে এনামুল, মমিনুল, সৌম্য, তাসকিনরা ন্যাশনাল হিরো হয়ে বসে আছে, সে বয়সে আপনার লাইফে এচিভমেন্ট বলতে কিচ্ছু নাই। তাদের মত আপনিও লাইফে ২০-২৫ বছর সময় পাইছিলেন। কিন্তু ওদের মত কিছুই হইতে পারেন নাই। তাদের লাইফেও ঝড় বৃষ্টি বাদল ছিলো, পরিবারে সচ্ছলতার অভাব ছিলো। তারপরেও, কঠিন পথ পাড়ি দিয়ে, এই অবস্থানে চলে আসতে পারছে। আপনি কিন্তু কিছুই করতে পারেন নাই। আসলে, শুধু ক্রিকেটার না, দুনিয়ার সব গ্রেট প্লেয়াররাই বাচ্চা-কাল থেকে প্রতিদিন খেলার মাঠে গেছে। ভরের নিত্যতার সূত্র মুখস্থ করার আগেই খেলার প্রতি আকর্ষণ ধরায় ফেলছে, নেশা লাগায় ফেলছে।
গ্রীষ্মকালে আম পাওয়া বা খাওয়া যতটা সহজ, শীতকালে ততটাই কঠিন। জীবনের জন্য বিশাল কিছু বা ডিফারেন্ট কিছু করতে চাইলে সেটার ভিত্তি স্থাপন করা স্টুডেন্ট লাইফে যতটা সহজ, সংসার আন্ডা-বাচ্চা হয়ে গেলে ততটাই কঠিন। আর আপনার চিন্তাধারা যত বেশি ইউনিক, যত বেশি ডিফারেন্ট, যত বেশি আউট অফ দ্যা বক্স হবে, তত বেশি বাধা আসবে। সেটা হোক ফ্যামিলির কাছ থেকে, না হোক প্রিয়জনের কাছ থেকে কিংবা বন্ধু-বান্ধব বা তথাকথিত শুভাকাঙ্ক্ষীদের কাছ থেকে। তবে অন্যের কাছে থেকে বাধার চাইতেও বেশি ভয়ংকর হচ্ছে নিজের ভিতর থেকে আসা বাধা। ছেড়ে দেয়ার ইচ্ছা বা কনফিডেন্সের অভাব। এই কনফিডেন্সের অভাবটা আসে আউটপুট দেখতে না পাইলে। কোন একটা কিছু করতে গেলে টাইম খুব বেশী লেগে গেলে কিংবা কেউ কো-অপারেট না করলে।
প্রথম ইনিংসে ভালো স্কোর দাড় করাতে না পারলে, পরের ইনিংসে বোলিং করে তেমন সুবিধা করতে পারবেন না। তেমনি সময় থাকতে, স্টুডেন্ট লাইফে দরকারি স্কিল ডেভেলপ করতে না পারলে, পাশ করার পরে সঠিক ক্যারিয়ার গড়ে তুলতে পারবেন না। যতটুকু সফল হবার কথা ছিলো, তার ধারেকাছেও যেতে পারবেন না।
আমাদের ১৫ বছর বয়স হওয়ার আগের ডিসিশনগুলা ঠিক করে দেয় বাবা-মা। আবার ২৪ বছর বয়সের পরের ডিসিশনগুলো ইনফ্লুয়েন্স করে বউ, বস, বা বর। শুধু মাঝের ৯ বছরে ডিসিশন নেয়ার জন্য- আমরা তুলনামূলকভাবে স্বাধীন। সেজন্যই এই সময়টাই ডিফাইন করে দেয়- আমরা লাইফে কি হবো, কি করবো।
প্রেম রিলেটেড প্রশ্ন, হতাশা কিংবা কনফিউশন রিলেটেড প্রশ্নের উত্তর
শুধুমাত্র কম্পিউটার অন-অফ করতে পারেন এমন মানুষও ওয়েবসাইট বানাতে পারবে।
নাকানি চুবানি খাইতে খাইতেও মানুষ হইতে পারলাম না। ড্রিম জব ল্যান্ড করাতো দুরের কথা।
যদি লোকসম্মুখে প্রশ্ন জিগ্গেস করতে বা উপদেশ, বকাঝকা, গালাগালি, হুমকি দিতে সংকোচ লাগে তাইলে ইমেইল করে দেন [email protected]