আমাদের ১৫ বছর বয়স হওয়ার আগের ডিসিশনগুলা ঠিক করে দেয় বাবা-মা। আবার ২৪ বছর বয়সের পরের ডিসিশনগুলো ইনফ্লুয়েন্স করে বউ, বস, বা বর। শুধু মাঝের ৯ বছরে ডিসিশন নেয়ার জন্য- আমরা তুলনামূলকভাবে স্বাধীন। সেজন্যই এই সময়টাই ডিফাইন করে দেয়- আমরা লাইফে কি হবো, কি করবো।
বেশিরভাগ মানুষ ১৫ থেকে ২৪ বছরের সময়টা ব্যয় করে- কলেজ ও ভার্সিটিতে। সেকারণেই কলেজের চেষ্টা ঠিক করে দেয় তুমি কোন ভার্সিটিতে যাবে। আর ভার্সিটিতে তোমার কার্যকলাপই ঠিক করে দিবে তুমি পরবর্তীতে কতটুকু শাইন করবে। তবে ভার্সিটি লাইফটা শুধু পড়ালেখার বা শুধু উপভোগের না। শুধু আনন্দের, বা শুধু হতাশার না। বরং আনন্দ, হতাশা, অনিশ্চয়তা, অস্বস্তির আর অর্জনের একটা অদ্ভুত মিশ্রণ। যে মিশ্রনের ভিতরে এক একজন একেকভাবে নিজেকে আবিস্কার করে নেয়।
এই সময়টায় নিজেকে ডিফাইন করে নেয়া যতটা সোজা, এই সময়ের পরে নিজেকে ডিফাইন করা ততটাই কঠিন। তাই ১৫ থেকে ২৪ বয়সের মধ্যে নিত্য নতুন জিনিস ট্রাই করতে, ঝাঁকের কৈয়ের সাথে মিশে যেতে দ্বিধা করবা না। আবার যখন সিরিয়াস হওয়ার দরকার পড়বে, তখন সব ছেড়ে ছুড়ে সিরিয়াস হয়ে যাবে। এইভাবে ট্রাই আর ফান করতে করতে তোমার মাথার শক্ত বরফ গলতে শুরু করবে। গলতে গলতে এক সময় নরম মাটি পেয়ে যাবে। সেই মাটি ক্ষয়ে ক্ষয়ে যখন তোমার নদী চলতে শুরু করবে, তখনি তুমি তোমার ভালো লাগা, তোমার প্যাশন, তোমাকে ডিফাইন করার ফর্মুলা খুঁজে পাবে। নিজেকে আবিষ্কার করতে পারবে।
হুট হাট করে মাঝে মধ্যে লেখা আসবে
যদি লোকসম্মুখে প্রশ্ন জিগ্গেস করতে বা উপদেশ, বকাঝকা, গালাগালি, হুমকি দিতে সংকোচ লাগে তাইলে ইমেইল করে দেন [email protected]