প্রথম ইনিংসে ভালো স্কোর দাড় করাতে না পারলে, পরের ইনিংসে বোলিং করে তেমন সুবিধা করতে পারবেন না। তেমনি সময় থাকতে, স্টুডেন্ট লাইফে দরকারি স্কিল ডেভেলপ করতে না পারলে, পাশ করার পরে সঠিক ক্যারিয়ার গড়ে তুলতে পারবেন না। যতটুকু সফল হবার কথা ছিলো, তার ধারেকাছেও যেতে পারবেন না।
বল না বুঝে, খেলার কন্ডিশন মাথায় না রেখে, উরাধুরা পিটাতে গেলে, দুই বাড়ি মারার পর দেখবেন মিডল স্ট্যাম্প নাই। কিছু বল ছেড়ে আবার কিছু বল মেরে, কনফিডেন্স ডেভেলপ করে, তিনশ-সাড়ে তিনশোর টার্গেট নিয়ে খেলা আগায় নিতে হবে। মাথা ঠাণ্ডা রেখে, চেষ্টা চালায় যেতে পারলেই ইনিংস বড় হবে। সেঞ্চুরি হবে। আর নিয়মিত ডাক মারলে, বিশ-তিরিশের নীচে স্কোর করলে, আপনি যত বড় ট্যালেন্টেড ব্যাটসম্যান হন না কেনো, কয় দিন পরে টিম থেকে বাদ দিয়ে দিবে। আপনার আশেপাশে এমন অনেকেই আছে, যার সারা গা ভর্তি ট্যালেন্ট, কিন্তু ট্যালেন্টের এক ফোটাও কাজে লাগায় না। আলসেমি করে, ধরাকে সরা জ্ঞান করে চুপ করে বসে থাকে। সে যত বড় ট্যালেন্টেড হোক না কোনো, জীবনের দৌড় থেকে দুই দিন পরেই পিছিয়ে পড়বে, বাদ পড়বে। তার সাথে আপনি থাকলে, আপনিও বাদ পড়বেন।
তাই কালের স্রোতে হারিয়ে যেতে না চাইলে, আশেপাশে এমন কাউকে খুঁজে বের করতে হবে, যার জীবনের লক্ষ্য আছে, যে জানে কি করতে চায় তার ফিউচারে। সে হতে পারে অন্য ডিপার্টমেন্টের কেউ, সিনিয়র ভাইয়া/ আপু বা অন্য কেউ। যাদের সাথে আধা ঘন্টা কথা বললে, আপনি নিজে উৎফুল্ল হন, তাদের এচিভমেন্ট দেখে অনুপ্রাণিত হন। এমন কারো সাথে চলতে পারলে, রুমমেট, কলিগ বা পার্টনার হতে পারলে, তার সেঞ্চুরি হবার পর আপনারও সেঞ্চুরি হবে।
হুট হাট করে মাঝে মধ্যে লেখা আসবে
যদি লোকসম্মুখে প্রশ্ন জিগ্গেস করতে বা উপদেশ, বকাঝকা, গালাগালি, হুমকি দিতে সংকোচ লাগে তাইলে ইমেইল করে দেন [email protected]