প্রোগ্রামিং শেখার সেকেন্ড রাউন্ড

The shortest path for ফাঁকিবাজ

স্টাডি প্ল্যানের মূল পাতা

লেইট পার্টি:

প্রোগ্রামিংয়ের বেসিক কনসেপ্টগুলো নিয়ে ধারণা না থাকলে। বা এই প্রতিযোগিতার কথা আজকেই শুনে থাকলে। কাউ কাউ না করে, এইখান থেকে শুরু করে দাও।


স্টেপ-০: প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ

তুমি প্রথম রাউন্ডে প্রোগ্রামিংয়ের কনসেপ্টগুলো শিখছো। টুকটাক প্রাকটিস করছো। সেখানে যে প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ শিখছো সেটা দিয়েই সেকেন্ড রাউন্ডের কাজ করবা। জাস্ট আগের জিনিসগুলো জোড়াতালি দিয়ে একসাথ করবা। আর কিছু না।

স্টেপ-১: কিসের সফটওয়্যার

তুমি তোমার পছন্দের যেকোন কিছুর জন্য সফটওয়্যার বা অ্যাপ বানাতে পারো। যারা কোন আইডিয়া খুঁজে পাচ্ছ না। তাদের জন্য আমি কয়েকটা আইডিয়া দিয়ে দিলাম

  • বাংলাদেশের মুক্তিযোদ্ধাদের তথ্য রাখার একটা সফটওয়্যার বা অ্যাপ বানাতে পারো। সেখানে কোন এলাকায় কবে কবে যুদ্ধ হইছে, করা যুদ্ধ করছে সে রকম তথ্য থাকবে। চাইলে নতুন মুক্তিযোদ্ধার তথ্য যোগ করা যাবে। এই টাইপের একটা সফটওয়্যার।
  • একটা জায়গায় অনেকগুলো মানুষের রক্তের গ্রূপ থাকবে। সেখানে তুমি চাইলে যেকোন গ্রূপের রক্ত কার কার আছে সেটা খুঁজে বের করতে পারবে। নতুন কারো রক্তের গ্রূপ যোগ করতে পারবে। লাষ্ট কবে রক্ত দিছে সেই তথ্য থাকবে। তুমি চাইলে আরো ফিচার যোগ করতে পারো।
  • কোন একটা স্কুলের জন্য সফটওয়্যার। যেখানে স্টুডেন্টদের নাম, রোল নং পরীক্ষার রেজাল্ট বলে দিবে। কোন টিচার কোন ক্লাস নিচ্ছে সেরকম তথ্য থাকবে।
  • পত্রিকার জন্য নিউজ জমা রাখার সফটওয়্যার বানাতে পারো। যেখানে চাইলে শুধু খেলার খবর জানা যাবে। আবার চাইলে রাজনীতির খবর জানা যাবে। আর চাইলে আজকের বা গতকালের খবরও জানা যাবে।
  • তুমি চাইলে ছোটখাটো ই-কমার্স সাইটের মতো একটা সফটওয়্যার বানিয়ে ফেলতে পারো। যেখানে বিভিন্ন পণ্যের নামের সাথে দাম থাকবে। তুমি চাইলে এক বা একাধিক জিনিস অর্ডার দিতে পারবে। এইটা অনেকটা নিচের "বলদ-ষাঁড় স্টোরের" মতো হতে পারে।

উপরের জিনিসগুলা পড়ার পর তোমার যদি মনে হয়। হ্যাঁ বুঝলাম কিছু একটা বানাতে হবে। কিন্তু কোড কি রকম হতে পারে।

উত্তর হবে, কোড যেকোন রকমেরই হতে পারে। তোমার নিজের লেখা কোড হলেই হবে। ভালো হোক বা খারাপ হোক। তারপরেও যদি সেম্পল কোড দেখতে চাও তাহলে নিচে তিনটা উদাহরণ দিছি।

স্টেপ-২: কত বড় সফটওয়্যার

তোমার সফটওয়্যার বা অ্যাপে কি কি ফিচার থাকবে। সেটা ঠিক করবা। ফিচারগুলা ফাইনাল করা লাগবে না। মোটামুটি একটা তিনটা থেকে ছয়টা ফিচার থেকলেই হবে। এইগুলা এখনই ফাইনাল করা লাগবে না। চাইলে পরে চেইঞ্জ করতে পারবা। আবার যেগুলা লিখছো। সেগুলা পুরাপুরি করতেই হবে এমন কোন কথা নাই।

স্টেপ-৩: প্যাঁচগি লাগায় ফেলছি

তোমাকে হালকাভাবে শুরু করতে হবে। কোথাও আটকে গেলে, সেটা ঐখানে বন্ধ রেখে পরেরটা নিয়ে কাজ শুরু করবে।

মনে রাখবে। তোমাকে সবগুলা শেষ করা লাগবে। সব ফিচার কাজ করতে হবে না। তোমার কোড রান করতেই হবে। এমন কোন কথা নাই। তবে তোমাকে চেষ্টা করতে হবে। শিখার চেষ্টা করবে। যত ডেসপারেট হয়ে চেষ্টা করবে। তোমার তত লাভ হবে। তত বেশি শিখতে পারবে।

কনফিউজড: নো টেনশন

এখনো কনফিউজড থাকলে এইখানে একটা পিডিফ আছে। সেখানে ধাপে ধাপে, একটা অ্যাপ কিভাবে বানাতে হয় বলা আছে। সেটা দেখে বুঝার চেষ্টা করো।

তারপরেও কি করবে বুঝতে না পারলে। দিশেহারা হয়ে বসে না থেকে উপরের পিডিফ টা তোমার নিজের মতো করে লিখে সেটা জমা দাও। তাও কিছু একটা করো।

স্টেপ-৪: সাবমিট

যখন কিছু একটা কোড করা হয়ে যাবে। তখন সেটা গিটহাবে আপলোড করে দিবে। এবং এপ্রিল ২০, ২০১৭ বাংলাদেশ সময় রাত ১২.০০ এর মধ্যে এইখানে গিয়ে তোমার গিটহাব লিংক দিয়ে দিবে।

কোন কারনে গিটহাবে আপলোড করতে সমস্যা হলে, তোমার কোডের সব ফাইল একটা জিপ ফাইল বানিয়ে ইমেইল করে দিবে। [email protected] এ। আর কখনো কোন সমস্যা হলে নিচে কমেন্ট করো অথবা আমাকে ইমেইল করে দিবে।

নেক্সট স্টেপ:

সেকেন্ড রাউন্ড থেকে ৪০ জনকে সারা-দিনব্যাপী ওয়ার্কশপে প্রোগ্রামিং শিখার জন্য সিলেক্ট করা হবে (organized by LLC, sponsored by bdjobs)। সেখান থেকে তিনজনকে পার্ট-টাইম বা ইন্টার্নের জন্য সিলেক্ট করা হবে। প্রোগ্রামিং শিখার আগ্রহ, চেষ্টার কোয়ালিটি দেখে বিজয়ী নির্ধারণ করা হবে।

এপ্রিলের ৩০ তারিখের মধ্যে চূড়ান্ত বিজয়ীদের নাম প্রকাশ করা হবে। বিজয়ীদের নাম এই ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে। এবং ইমেইল করে জানিয়ে দেয়া হবে।

মে মাসের ৬ তারিখ দিনব্যাপী ওয়ার্কশপ অনুষ্ঠিত হবে।


FB post




Question or Feedback:

যদি লোকসম্মুখে প্রশ্ন জিগ্গেস করতে বা উপদেশ, বকাঝকা, গালাগালি, হুমকি দিতে সংকোচ লাগে তাইলে ইমেইল করে দেন [email protected]